আপনার রুমের জন্য সঠিক সাইজের এসি নির্বাচন করুন
আপনার বাসায় এসি যদি দিনে ৪-৫ ঘণ্টার বেশি চলে, তবে অবশ্যই ইনভার্টার এসি কিনুন। এতে বিদ্যুত সাশ্রয় হবে, বিল বাচবে। জেনে রাখা ভালো ইনভার্টার এসি রুম নির্দিস্ট তাপমাত্রায় ঠান্ডা করার পর আউটডোর ইউনিটের কম্প্রেসর সম্পূর্ন বন্ধ না করে গতি কমিয়ে দেয়, ফলে বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৫০-৬০% কম আসে। কারন আমরা জানি বৈদ্যুতিক মোটরের স্টার্টের সময় বেশি পরিমান বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। অপর দিকে নন-ইনভার্টার এসি নির্দিস্ট তাপমাত্রায় আসার পর এর কম্প্রেসার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। বারবার চালু ও বন্ধ করতে গিয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।
এটা ঠান্ডা করার এবং এসি দীর্ঘ স্থায়ী করার একটা অন্যতম দিক। ভালো থিকনেসের ফিন, পাইপ, কন্ডেন্সার থাকা এসি গুলো দীর্ঘদিন ভালো সার্ভিস দিতে দেখা যায়। তবে বাংলাদেশের বাজারে অ্যালুমিনিয়াম এবং কপার, বা দুই ধরনের মিশ্রিত কন্ডেন্সারের এসি পাওয়া যায়। সবসময় ১০০% কপার কন্ডেন্সার যুক্ত এসি কেনার চেষ্টা করা উচিত। কপার কন্ডেন্সার যুক্ত এসি রুম দ্রুত ঠান্ডা করে এবং এটি মেরামত করাও সহজ। এছাড়া গোল্ড ফিন কোটিং, এসির মরিচা প্রতিরোধে কাজ করে থাকে।
এসি কেনার ক্ষেত্রে এটি সব থেকে জরুরী। আপনার প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা কম ২টিই দীর্ঘমেয়াদে আপনার এসির পার্ফরমেন্স কমিয়ে দিতে পারে। রুমের মাপের চেয়ে কম টনের এসি কেনা যাবে না, এতে বিদ্যুত বিল যেমন বেশি আসবে, এসির লাইফটাইমও কমে যাবে, কারন এটি সঠিক ভাবে বন্ধ না হয়ে চলতেই থাকবে। ক্যালকুলেটরের রেজাল্ট অনুযায়ী সঠিক টন নির্বাচন করুন।
ভালো এসি কিনলেই শুধু হলো না, দক্ষ ইন্সটলার দিয়ে ইন্সটল করা জরুরী। তবে গ্রাহক হিসেবে আপনাকেও কিছু দিক অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
এসি কেনার আগে আপনার এলাকায় ওই ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টার আছে কি না তা নিশ্চিত হোন। এবং অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় পর পর এসি সার্ভিস করাতে ভুলবেন না।